ঢাকার ভবন মালিকদের ঘুম হারাম!

স ম হাসান সিদ্দিকী

বদলে যাবে ঢাকা। এমন এক সময় ছিলো যখন গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডি, উত্তরা এবং নিকুন্জহ এলাকায় ভবন মালিকরা বিভিন্ন বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের ভবন অথবা এর অংশ ভাড়া দেয়াটাকে লাভজনক মনে করতেন। যার যেভাবে খুশী ভাড়া হাঁকাতেন। শত-শত প্লট, ভবন, ফ্ল্যাট ইত্যাদিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠতো গেষ্ট হাউস, রেষ্টেরেন্ট, বার, পার্লার, স্কুল, কলেজ, হোটেল, ক্লিনিকসহ বানিজ্যিক স্থাপনা।

এবার সে ভবন মালিক বা বাড়ীওয়ালাদের সর্বনাশ। আর যারা আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাড়ীতে থাকেন তাঁদের পৌষ মাস। আগামী ২-৩ মাসের ভেতর আবাসিক এলাকা থেকে সব বানিজ্যিক স্থাপনা সরানো নোটিশ দিয়েছে সরকার। সরকারের নির্দেশ না মানলে শুরু হবে উচ্ছেদ অভিযান। মোবাইল কোর্টকে দিতে হবে লাখ-লাখ টাকা জরিমানা।

এক জরিপে দেখা যায়, আবাসিক এলাকায় বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কারনে যানজট লেগেই থাকে। অধিকাংশ  ভবনেরই গাড়ী পার্কিং নেই। এবার সেই সমস্যাও দুর হবে। আবাসিক এলাকা যদি কেবল বসবাসের জন্য ব্যবহার হয় তাহলে ভাড়াটেদের লাভ। কারন, বাড়ীওয়ালারা তখন খেয়াল – খুশী মতো ভাড়া হাঁকাতে পারবে না।

আগামী ২-৩ মাসের ভেতর গুলশান, বননী, বারিধারা. ধানমন্ডি, উত্তরা, নিকুন্জহ এলাকায় শত-শত বাড়ী, প্লট এবং ফ্ল্যাট খালি হয়ে যাবে।

এখানে একটা কথা বলা দরকার। কেবল রাজউক এলাকাতেই নয়, বরং মহাখালি, বননী এবং বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকেও বানিজ্যিক স্থাপনা সরাতে হবে। পাশাপাশি, যেসব বানিজ্যিক ভবন এবং মার্কাটের গাড়ী পার্কিং ব্যবস্থা নেই সেগুলোর ব্যাপারেও ভাবতে হবে।

Comments

comments

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *